বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ডাক্তার এপয়েন্টমেন্ট প্লাটফর্মে আপনাকে স্বাগতম । Welcome to The Most Popular Doctor Appointment Platform in Bangladesh.

Home / Blog / ঢাকায় নাকের পলিপাস অপারেশনের খরচ কত টাকা

ঢাকায় নাকের পলিপাস অপারেশনের খরচ ও চিকিৎসা গাইড
To Book an Appointment
Call Us  +880 1902991500

ঢাকায় নাকের পলিপাস অপারেশনের খরচ কত টাকা

By Admin
Feb 23 , 2026 | 0 min read

ঢাকায় নাকের পলিপাস অপারেশন: খরচ, ডাক্তার ও সম্পূর্ণ গাইড (২০২৬)

নাকের পলিপাস একটা সাধারণ কিন্তু বেশ কষ্টকর সমস্যা, যা ঢাকার লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবনকে প্রভাবিত করে — বিশেষ করে যাদের অ্যালার্জি, সাইনাসাইটিস, বা অ্যাজমা আছে। এই নন-ক্যান্সারাস গ্রোথ নাকের ভেতরে বাড়লে শ্বাসকষ্ট, ঘ্রাণশক্তি হারানো, আর ঘুমের সমস্যা তৈরি হয়।

ঢাকায় নাকের পলিপাস অপারেশনের খরচ সাধারণত ২০,০০০ থেকে ৬০,০০০ টাকার মধ্যে, তবে হাসপাতাল, ডাক্তার, পদ্ধতি, এবং জটিলতার ওপর নির্ভর করে কম-বেশি হয়। এই গাইডে লক্ষণ, কারণ, অপারেশনের ধাপ, খরচের বিস্তারিত হিসাব, সেরা হাসপাতাল, ডাক্তার, প্রস্তুতি, রিকভারি, ঝুঁকি, এবং প্রতিরোধ নিয়ে সবকিছু আলোচনা করা হয়েছে।

নাকের পলিপাস কী?

নাকের পলিপাস হলো নাকের মিউকোসা থেকে উদ্ভূত অতিরিক্ত টিস্যুর গ্রোথ, যা ইউকোসিনোফিলিয়া এবং প্রদাহের ফলে তৈরি হয়। এটি দুই ধরনের — এন্ট্রাল পলিপস (নাকের ভেতরে, বেশি সাধারণ) এবং এন্ট্রাটাল পলিপস (সাইনাসে, তুলনামূলক জটিল)। সাধারণত উভয় নাসারন্ধ্রেই হয় এবং Lund-Kennedy স্কেলে গ্রেড ১ থেকে ৩ পর্যন্ত মাপা হয়।

গঠন প্রক্রিয়াটা এভাবে হয় — অ্যালার্জেন বা সংক্রমণ থেকে ইমিউন রেসপন্স তৈরি হয়, ইন্টারলিউকিন-৫ বেড়ে যায়, এরপর ইউকোসিনোফিল আক্রমণ করে টিস্যু ফুলিয়ে দেয়, এবং সময়ের সাথে পলিপ তৈরি হয়ে নাসাল প্যাসেজ বন্ধ করে দেয়। পলিপের আকার ১ সেমি ছাড়িয়ে গেলে অপারেশন প্রায় অপরিহার্য হয়ে পড়ে, কারণ এই পর্যায়ে ওষুধ (যেমন Fluticasone স্টেরয়েড স্প্রে) সাধারণত আর কাজ করে না। বাংলাদেশে সাইনাস রোগীদের ১৫ থেকে ২০ শতাংশের এই সমস্যা হয়।

নাকের পলিপাসের লক্ষণসমূহ

প্রাথমিক লক্ষণ (গ্রেড ১)

শুরুতে সাধারণত নাক বন্ধ থাকে বা একপাশে শ্বাস নিতে কষ্ট হয়। সাইনাসে চাপ অনুভব হয়, সাথে কপালে বা গালের হাড়ে মাথাব্যথা থাকতে পারে। বারবার সাইনাসাইটিসও এই পর্যায়ের পরিচিত লক্ষণ।

মধ্যম লক্ষণ (গ্রেড ২)

এই পর্যায়ে ঘ্রাণশক্তি কমে যায় (হাইপোসমিয়া) বা একেবারে চলে যায় (অ্যানোসমিয়া)। মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়া শুরু হয়, কণ্ঠস্বর খোসখোসে হয়ে যায়, এবং মুখে তেতো বা অস্বাভাবিক স্বাদ লাগে।

গুরুতর লক্ষণ (গ্রেড ৩)

ঘুমের সমস্যা, নাক ক্রমাগত ঝরতে থাকা (পোস্ট-নেজাল ড্রিপ), এবং কিছু বিরল ক্ষেত্রে (১ থেকে ২ শতাংশ) ক্যান্সারের ঝুঁকি বা মুখমণ্ডলের গড়নে পরিবর্তন দেখা দিতে পারে। শিশুদের ক্ষেত্রে স্বাভাবিক বৃদ্ধিও বাধাগ্রস্ত হতে পারে।

দুই সপ্তাহের বেশি এই লক্ষণগুলো থাকলে অবশ্যই ন্যাসাল এন্ডোস্কোপি করানো উচিত।

নাকের পলিপাসের কারণ ও ঝুঁকির বিষয়গুলো

প্রধান কারণ

প্রায় ৫০ শতাংশ ক্ষেত্রে ধুলো, পরাগরেণু, বা পোষা প্রাণীর লোমের মতো অ্যালার্জেন দায়ী। এছাড়া Streptococcus ব্যাকটেরিয়া থেকে ক্রনিক সাইনাসাইটিস, অ্যাসপিরিন সেনসিটিভিটিসহ অ্যাজমা (Samter's triad), এবং CFTR জিন মিউটেশন বা পারিবারিক পলিপোসিসও কারণ হতে পারে।

ঝুঁকির বিষয়গুলো

৩০ থেকে ৬০ বছর বয়সীদের মধ্যে এই সমস্যা বেশি দেখা যায়, আর পুরুষদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি। ধূমপান এবং ঢাকার উচ্চ বায়ু দূষণ (AQI ১৫০+) পলিপাসের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দেয়। দীর্ঘদিন স্টেরয়েড ব্যবহার বা ইমিউনোকম্প্রোমাইজড অবস্থাও ঝুঁকি বাড়ায়।

নিয়মিত ন্যাসাল ইরিগেশন (NeilMed Sinus Rinse) এবং Loratadine-এর মতো অ্যান্টিহিস্টামিন প্রতিরোধে সহায়ক।

রোগ নির্ণয়: কোন পরীক্ষা লাগে?

ENT ডাক্তার সাধারণত প্রথমে ন্যাসাল এন্ডোস্কোপি করে পলিপ দেখেন। এরপর প্রয়োজন অনুযায়ী আরও কিছু পরীক্ষা করতে হতে পারে।

CT PNS (Paranasal Sinus) পলিপের বিস্তার দেখায়, খরচ ৩,০০০ থেকে ৮,০০০ টাকা। জটিল ক্ষেত্রে MRI করতে হতে পারে, যার খরচ ১০,০০০ টাকার বেশি। অ্যালার্জি টেস্ট বা Skin Prick Test খরচ প্রায় ২,০০০ টাকা। ক্যান্সার সন্দেহ হলে বায়োপ্সি করা হয়। অপারেশনের আগে এই পরীক্ষাগুলো করা জরুরি।

অপারেশনের প্রকারভেদ

Functional Endoscopic Sinus Surgery (FESS)

এটি এখন সবচেয়ে জনপ্রিয় পদ্ধতি। এন্ডোস্কোপ দিয়ে পলিপ অপসারণ করা হয় এবং সাইনাস খুলে দেওয়া হয়। সময় লাগে ৩০ থেকে ৯০ মিনিট, স্থানীয় বা জেনারেল অ্যানেসথেসিয়ায় করা হয়। সাফল্যের হার ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ।

Polypectomy

ছোট পলিপের ক্ষেত্রে সাধারণ ক্লিপিং পদ্ধতিতে করা হয়।

Laser Polypectomy

CO2 লেজার ব্যবহার করে কম রক্তপাতে অপারেশন করা হয়, তবে খরচ তুলনামূলক বেশি।

Caldwell-Luc

এটি পুরোনো পদ্ধতি এবং বর্তমানে সাধারণত এড়িয়ে চলা হয়।

অপারেশনের ধাপ

অ্যানেসথেসিয়া দেওয়ার পর নাকে স্প্রে করে নিস্তেজ করা হয়, তারপর এন্ডোস্কোপ ঢুকিয়ে পলিপ কাটা হয় এবং Coblator দিয়ে রক্তপাত নিয়ন্ত্রণ করা হয়। সাইনাস খুলে দেওয়ার পর স্টেন্ট বা প্যাকিং (৭ থেকে ১০ দিনের জন্য) লাগানো হয়। সাধারণত ৩০ মিনিট পর রোগীকে ছেড়ে দেওয়া হয়। ৫ বছরের মধ্যে রিকারেন্সের হার ১০ থেকে ২০ শতাংশ।

ঢাকায় নাকের পলিপাস অপারেশনের খরচের বিস্তারিত হিসাব (২০২৬)

গড় খরচ সাধারণ ক্ষেত্রে ২৫,০০০ থেকে ৫০,০০০ টাকা, জটিল ক্ষেত্রে ৬০,০০০ টাকার বেশিও হতে পারে। মুদ্রাস্ফীতির কারণে গত বছরের তুলনায় প্রায় ১৫ শতাংশ বেড়েছে।

খরচের মূল অংশগুলো হলো: ডাক্তার ফি — সরকারি হাসপাতালে ৩,০০০ থেকে ৫,০০০ টাকা, প্রাইভেটে ৮,০০০ থেকে ১৫,০০০ টাকা (সিনিয়র ডাক্তারের ক্ষেত্রে আরও ৫,০০০ বেশি)। অপারেশন থিয়েটার — সরকারিতে ৫,০০০ টাকা, প্রাইভেটে ১০,০০০ থেকে ২০,০০০ টাকা। অ্যানেসথেসিয়া — সরকারিতে ২,০০০ টাকা, প্রাইভেটে ৫,০০০ থেকে ১০,০০০ টাকা। টেস্ট (CT + ল্যাব) — সরকারিতে ৪,০০০, প্রাইভেটে ৮,০০০ টাকা। রুম বা বেড (১ থেকে ২ দিন) — সরকারিতে ১,০০০, প্রাইভেটে ৩,০০০ থেকে ৬,০০০ টাকা প্রতিদিন। ওষুধ ও ফলো-আপ — সরকারিতে ৩,০০০, প্রাইভেটে ৫,০০০ টাকা।

মোট খরচ সরকারি হাসপাতালে ১৮,০০০ থেকে ২৮,০০০ টাকা, প্রাইভেটে ৩৯,০০০ থেকে ৬৪,০০০ টাকা। প্যাকেজ নিলে সাধারণত ১০ শতাংশ ছাড় পাওয়া যায়।

ঢাকার সেরা ENT হাসপাতাল ও ডাক্তার তালিকা

হাসপাতাল

BSMMU ENT বিভাগ অভিজ্ঞ ডাক্তার ও তুলনামূলক কম খরচের জন্য পরিচিত, সাধারণত ১৫,০০০ টাকার মধ্যে হয়। Square Hospitals FESS-এ বিশেষায়িত, খরচ ৪০,০০০ টাকার বেশি। Apollo ও ইভারকেয়ার আধুনিক সুবিধা দিয়ে থাকে, খরচ ৫০,০০০ টাকার কাছাকাছি। ঢাকা ENT হাসপাতাল, মিরপুর বিশেষায়িত হাসপাতাল হিসেবে পরিচিত, খরচ প্রায় ২৫,০০০ টাকা। National ENT Care, গুলশান প্রিমিয়াম সেবার জন্য পরিচিত।

শীর্ষ ডাক্তার

ডাঃ এম এ মুনতাসির আল আজিজ

— BSMMU-এর প্রফেসর, ২৫ বছরের বেশি অভিজ্ঞতা। ডাঃ গালিবুল ইসলাম — ৩০,০০০ টাকার প্যাকেজে পাওয়া যায়, রোগীদের রিভিউ ভালো। ডাঃ ফারজানা খান — নারী রোগীদের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। ডাঃ রাশেদুল ইসলাম — Apollo Hospitals-এ কর্মরত।

অপারেশনের আগে কীভাবে প্রস্তুতি নেবেন?

অপারেশনের এক সপ্তাহ আগে CBC, PT/INR, ECG, এবং থাইরয়েড টেস্ট করতে হয়। ডাক্তারের পরামর্শে অ্যান্টিবায়োটিক (Amoxicillin) শুরু করতে হয় এবং ধূমপান ও অ্যাসপিরিন বন্ধ রাখতে হয়।

অপারেশনের আগের দিন রাত থেকে কিছু খাওয়া বন্ধ রাখতে হয় (ফাস্টিং), আলগা পোশাক পরে পরিবারের কাউকে সাথে নিয়ে যেতে হয়। ডাক্তারকে আগে থেকেই কোনো অ্যালার্জির কথা জানিয়ে রাখা জরুরি।

অপারেশনের পরের যত্ন: ৬ সপ্তাহের রুটিন

প্রথম ১ থেকে ৩ দিন পূর্ণ বিশ্রাম নিতে হয়, মাথা উঁচু করে ঘুমানো ভালো, এবং আইস প্যাক ব্যবহার করা যায়। Paracetamol, Augmentin অ্যান্টিবায়োটিক, এবং স্টেরয়েড ড্রপ খেতে হয়। ঠান্ডা ও নরম খাবার খাওয়া উচিত, মশলাদার বা গরম খাবার এড়িয়ে চলতে হয়।

প্রথম সপ্তাহে প্যাকিং খুলে দেওয়া হয় এবং স্যালাইন স্প্রে শুরু হয়। দ্বিতীয় থেকে ষষ্ঠ সপ্তাহ পর্যন্ত দিনে ৩ বার ন্যাসাল ইরিগেশন করতে হয় এবং নিয়মিত ফলো-আপে যেতে হয়। ধুলো, সাঁতার, এবং নাক ঝাড়া ৪ সপ্তাহ পর্যন্ত এড়িয়ে চলা উচিত। সাধারণত ৪ সপ্তাহের মধ্যে ৯৫ শতাংশ রোগী স্বাভাবিক শ্বাস ফিরে পান।

সম্ভাব্য ঝুঁকি ও জটিলতা

সাধারণ ঝুঁকি (৫ থেকে ১০ শতাংশ ক্ষেত্রে) হলো রক্তপাত, ক্রাস্টিং, এবং সংক্রমণ। জটিল ঝুঁকি (প্রায় ১ শতাংশ) হিসেবে CSF লিক, চোখের কাছে ইনজুরি, বা অ্যানেসথেসিয়ার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে। পলিপ আবার হওয়ার হার প্রায় ২০ শতাংশ, যা Dupilumab-এর মতো বায়োলজিক ওষুধ দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

অতিরিক্ত রক্ত পড়া বা জ্বর হলে দ্রুত হাসপাতালে যাওয়া জরুরি।

খরচ কমানোর উপায়

সরকারি হাসপাতাল বা NGO ক্যাম্পে মাঝে মাঝে বিনামূল্যে চিকিৎসার সুযোগ থাকে। হাসপাতাল থেকে প্যাকেজ কোট নিলে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় পাওয়া যায়। গ্রিনডেল্টা বা বেকারেট ইন্স্যুরেন্স অনেক ক্ষেত্রে কভার করে। যাদের পলিপ ছোট, তাদের ক্ষেত্রে Prednisolone স্টেরয়েড ট্যাবলেট ৬০ শতাংশ ক্ষেত্রে কাজ করে।

প্রতিরোধে কী করবেন?

প্রতিদিন সকাল-বিকাল ন্যাসাল স্যালাইন রিন্স করুন। অ্যালার্জেন এড়িয়ে চলুন এবং ঘরে HEPA ফিল্টার ব্যবহার করুন। নিয়মিত ভিটামিন C, ভিটামিন D, এবং প্রোবায়োটিক খান ইমিউনিটি ধরে রাখতে। বছরে একবার ENT চেকআপ করানোর অভ্যাস রাখুন।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

১. নাকের পলিপাস অপারেশনের পর সম্পূর্ণ সুস্থ হতে কতদিন লাগে?

 সাধারণত ৪ থেকে ৬ সপ্তাহে পূর্ণ রিকভারি হয়। তবে বেশিরভাগ রোগী প্রথম ১ সপ্তাহের মধ্যেই প্রায় ৮০ শতাংশ উন্নতি অনুভব করেন।

২. অপারেশনের পর কি পলিপ আবার হতে পারে?

 হ্যাঁ, ১৫ থেকে ২৫ শতাংশ ক্ষেত্রে পলিপ আবার ফিরে আসে। তবে নিয়মিত ওষুধ ও সঠিক যত্নে এটা অনেকটা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

৩. শিশু বা গর্ভবতী নারীদের ক্ষেত্রে কী করবেন? 

এই দুই ক্ষেত্রে প্রথমে মেডিকেল ম্যানেজমেন্ট চেষ্টা করা হয়। সার্জারি একেবারে শেষ বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

৪. বিনামূল্যে বা কম খরচে চিকিৎসা কোথায় পাওয়া যায়?

 BSMMU-এর বিশেষ ক্যাম্প এবং মাঝে মাঝে NTV-সহ বিভিন্ন সংস্থার স্বাস্থ্য প্রোগ্রামে বিনামূল্যে বা ভর্তুকিতে চিকিৎসা পাওয়া যায়।

৫. FESS ছাড়া কি অন্য কোনো পদ্ধতিতে পলিপ সারানো সম্ভব? 

ছোট পলিপের ক্ষেত্রে Prednisolone স্টেরয়েড ট্যাবলেট ৬০ শতাংশ রোগীর ক্ষেত্রে কাজ করে। তবে পলিপ বড় হলে FESS বা লেজার সার্জারি একমাত্র কার্যকর সমাধান।

৬. অপারেশনের পর কোন লক্ষণ দেখলে দ্রুত হাসপাতালে যাব? 

অতিরিক্ত রক্তপাত, তীব্র মাথাব্যথা, উচ্চ জ্বর (১০১°F বা বেশি), বা দৃষ্টিতে পরিবর্তন দেখা দিলে দেরি না করে হাসপাতালে যেতে হবে।

Admin

Stay connected with us!

Get all the latest updates easily

No spam. Unsubscribe anytime.