Home / Blog / প্রেগন্যান্সি টেস্ট কিট ব্যবহারের নিয়ম: সঠিক সময় ও পদ্ধতি
মাসিক নির্ধারিত সময়ে না হলে বা অসুরক্ষিত যৌনসম্পর্কের পর গর্ভধারণের সম্ভাবনা থাকলে ঘরে বসেই প্রেগন্যান্সি টেস্ট কিট ব্যবহার করে প্রাথমিকভাবে জানা যায় গর্ভধারণ হয়েছে কি না। বর্তমানে ফার্মেসিতে বিভিন্ন ধরনের হোম প্রেগন্যান্সি টেস্ট কিট পাওয়া যায়। এগুলো সাধারণত প্রস্রাবের মধ্যে human chorionic gonadotropin (hCG) নামের হরমোন শনাক্ত করে। নিষিক্ত ডিম্বাণু জরায়ুর দেয়ালে স্থাপিত হওয়ার পর প্লাসেন্টা hCG তৈরি করতে শুরু করে এবং গর্ভাবস্থার প্রথম দিকে এর মাত্রা দ্রুত বাড়ে। FDA এবং MedlinePlus অনুযায়ী, home pregnancy test মূলত প্রস্রাবে hCG শনাক্ত করেই গর্ভধারণের প্রাথমিক ধারণা দেয়।
তবে প্রেগন্যান্সি টেস্ট কিট সঠিকভাবে ব্যবহার না করলে, খুব তাড়াতাড়ি পরীক্ষা করলে বা ফলাফল নির্ধারিত সময়ের পরে পড়লে ভুল ফল আসতে পারে। তাই প্রেগন্যান্সি টেস্ট কিট ব্যবহারের নিয়ম, কখন পরীক্ষা করা সবচেয়ে ভালো, সকালে পরীক্ষা করতে হয় কি না, এক দাগ বা দুই দাগের অর্থ কী, নেগেটিভ ফল ভুল হতে পারে কি না এবং কখন আবার পরীক্ষা করতে হবে—এসব জানা গুরুত্বপূর্ণ। NHS অনুযায়ী, সঠিক সময়ে এবং কিটের নির্দেশনা মেনে পরীক্ষা করাই নির্ভরযোগ্য ফল পাওয়ার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
প্রেগন্যান্সি টেস্ট কিট মূলত প্রস্রাবে hCG হরমোন শনাক্ত করে। গর্ভধারণ হলে নিষিক্ত ডিম্বাণু জরায়ুর ভেতরের দেয়ালে স্থাপিত হওয়ার পর প্লাসেন্টা hCG তৈরি করতে শুরু করে। MedlinePlus অনুযায়ী, fertilized egg জরায়ুর দেয়ালে সংযুক্ত হওয়ার পর placenta hCG তৈরি করে এবং গর্ভাবস্থার প্রথম দিকে এই হরমোনের মাত্রা দ্রুত বাড়ে।
প্রস্রাবে hCG-এর মাত্রা কিটের শনাক্ত করার সীমায় পৌঁছালে test সেটি শনাক্ত করে ফলাফল দেখায়। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের কিটে ফলাফল দেখানোর পদ্ধতি আলাদা হতে পারে। কোনো কিটে একটি বা দুটি লাইন দেখা যায়, কোনো কিটে প্লাস বা মাইনাস চিহ্ন থাকে, আবার ডিজিটাল কিটে সরাসরি “Pregnant” বা “Not Pregnant” লেখা দেখা যেতে পারে। MedlinePlus অনুযায়ী, ফলাফল দেখানোর ধরন কিটের ব্র্যান্ডের ওপর নির্ভর করে।
তাই আপনার ব্যবহৃত কিটের প্যাকেটের নির্দেশনাই চূড়ান্তভাবে অনুসরণ করতে হবে। NHS বলছে, প্রতিটি test সামান্য ভিন্নভাবে কাজ করতে পারে, তাই ব্যবহারের আগে নির্দেশনা পড়া গুরুত্বপূর্ণ।
প্রেগন্যান্সি টেস্ট করার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সঠিক সময় নির্বাচন করা।
NHS অনুযায়ী, অধিকাংশ হোম প্রেগন্যান্সি টেস্ট মাসিক মিস হওয়ার প্রথম দিন থেকে করা যায় এবং এ সময় থেকে পরীক্ষা করলে ফলাফল বেশি নির্ভরযোগ্য। আপনার পরবর্তী মাসিক কবে হওয়ার কথা তা যদি জানা না থাকে, তাহলে শেষ অসুরক্ষিত যৌনসম্পর্কের অন্তত ২১ দিন পরে পরীক্ষা করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
খুব তাড়াতাড়ি পরীক্ষা করলে গর্ভধারণ হয়ে থাকলেও নেগেটিভ ফল আসতে পারে। কারণ তখন প্রস্রাবে hCG-এর পরিমাণ টেস্ট কিট শনাক্ত করার মতো পর্যাপ্ত নাও হতে পারে। FDA উল্লেখ করেছে যে খুব তাড়াতাড়ি পরীক্ষা করলে গর্ভধারণ থাকা সত্ত্বেও প্রথম test-এ negative ফল আসতে পারে।
অনেক হোম প্রেগন্যান্সি টেস্টের ক্ষেত্রে সকালের প্রথম প্রস্রাব ব্যবহার করলে ফলাফল আরও নির্ভরযোগ্য হতে পারে। কারণ সকালে প্রস্রাব তুলনামূলকভাবে ঘন থাকে এবং এতে hCG-এর ঘনত্ব বেশি থাকতে পারে। MedlinePlus এবং FDA উভয়ই বিশেষ করে গর্ভাবস্থার শুরুর দিকে প্রথম সকালের প্রস্রাব ব্যবহারের সুবিধার কথা উল্লেখ করেছে।
তবে NHS বলছে, অধিকাংশ প্রেগন্যান্সি টেস্ট দিনের যেকোনো সময়ের প্রস্রাব দিয়ে করা যায়। তাই সকালে পরীক্ষা করা বাধ্যতামূলক নয়। তবে খুব তাড়াতাড়ি পরীক্ষা করলে বা ফলাফল যতটা সম্ভব নির্ভরযোগ্য করতে চাইলে সকালের প্রথম প্রস্রাব ব্যবহার করা ভালো পদ্ধতি।
টেস্ট শুরু করার আগে কয়েকটি বিষয় পরীক্ষা করে নিন।
১. Expiry date দেখুন
কিটের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে কি না দেখে নিন। মেয়াদোত্তীর্ণ কিট ব্যবহার করলে ফলাফল নির্ভরযোগ্য নাও হতে পারে। MedlinePlus pregnancy test ব্যবহারের আগে expiration date পরীক্ষা করার পরামর্শ দেয়।
২. প্যাকেটের নির্দেশনা পড়ুন
সব কিট একইভাবে ব্যবহার করা হয় না। কোনো কিট সরাসরি প্রস্রাবের ধারা থেকে নমুনা নেয়, আবার কোনো কিটে পরিষ্কার পাত্রে প্রস্রাব নিয়ে strip ডুবিয়ে দিতে হয়। MedlinePlus অনুযায়ী, test-এর নির্দিষ্ট পদ্ধতি brand অনুযায়ী পরিবর্তিত হতে পারে।
৩. কিটের প্যাকেট অক্ষত আছে কি না দেখুন
প্যাকেট ছেঁড়া, ভেজা বা ক্ষতিগ্রস্ত হলে সেই কিট ব্যবহার না করাই ভালো।
৪. অতিরিক্ত পানি পান করবেন না
পরীক্ষার ঠিক আগে প্রচুর পানি পান করলে প্রস্রাব পাতলা হয়ে যেতে পারে এবং hCG-এর ঘনত্ব কমে যেতে পারে। MedlinePlus অতিরিক্ত তরল পান না করার পরামর্শ দেয়, কারণ dilute urine-এর কারণে hCG শনাক্ত নাও হতে পারে।
কিটের ধরন অনুযায়ী পদ্ধতি কিছুটা ভিন্ন হলেও সাধারণভাবে নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করা হয়।
ধাপ ১: হাত পরিষ্কার করুন
পরীক্ষা শুরু করার আগে সাবান ও পানি দিয়ে হাত ভালোভাবে ধুয়ে নিন।
ধাপ ২: প্যাকেট খুলুন
টেস্ট কিট ব্যবহারের ঠিক আগে প্যাকেট খুলুন। কিট খোলার পর প্যাকেটের নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবহার করুন।
ধাপ ৩: প্রস্রাবের নমুনা নিন
কিটের ধরন অনুযায়ী দুইভাবে নমুনা নেওয়া হতে পারে।
সরাসরি প্রস্রাবের ধারা: কিছু stick-type test প্রস্রাবের ধারায় নির্দিষ্ট সময় ধরে ধরতে হয়।
পাত্রে প্রস্রাব: পরিষ্কার ও শুকনো পাত্রে প্রস্রাব নিয়ে strip বা test device নির্দিষ্ট মাত্রা পর্যন্ত ডুবিয়ে রাখতে হয়।
NHS এবং MedlinePlus অনুযায়ী, কোন পদ্ধতিতে urine sample নিতে হবে তা test-এর brand ও instructions-এর ওপর নির্ভর করে। কত সেকেন্ড প্রস্রাবের সংস্পর্শে রাখতে হবে বা কতক্ষণ strip ডুবিয়ে রাখতে হবে তা ব্র্যান্ডভেদে আলাদা। তাই প্যাকেটের নির্দেশনা অনুসরণ করুন।
ধাপ ৪: নির্ধারিত সময় অপেক্ষা করুন
টেস্ট করার পর কিটে নির্দিষ্ট সময় অপেক্ষা করতে হয়। অনেক কিট কয়েক মিনিটের মধ্যে ফলাফল দেখায়, তবে সঠিক সময় ব্র্যান্ড অনুযায়ী আলাদা।
এক্ষেত্রে অনুমান করে সময় না দেখে ঘড়ি বা timer ব্যবহার করা ভালো। MedlinePlus ফলাফল পড়ার সময় timer ব্যবহারের পরামর্শ দেয়।
ধাপ ৫: নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফলাফল দেখুন
নির্দেশিকায় যে সময়ের মধ্যে ফলাফল পড়তে বলা হয়েছে, সেই সময়ের মধ্যেই ফলাফল দেখুন। নির্ধারিত সময়ের অনেক পরে তৈরি হওয়া দাগ দেখে নিজের মতো করে ফলাফল ব্যাখ্যা করা উচিত নয়।
সাধারণ line-based pregnancy test-এ সাধারণত একটি control line থাকে। এটি দেখায় যে টেস্টটি সঠিকভাবে কাজ করেছে। MedlinePlus অনুযায়ী, control symbol বা line test সঠিকভাবে কাজ করেছে কি না তা বোঝাতে সাহায্য করে।
যদি শুধু control line দেখা যায় এবং test line না আসে, সাধারণত ফলাফল negative বা গর্ভধারণ শনাক্ত হয়নি বোঝায়।
তবে খুব তাড়াতাড়ি পরীক্ষা করলে গর্ভধারণ থাকা সত্ত্বেও নেগেটিভ হতে পারে। FDA এবং MedlinePlus উভয়ই early testing-এর কারণে false-negative হওয়ার সম্ভাবনা উল্লেখ করেছে।
তাই মাসিক না এলে এবং গর্ভধারণের সম্ভাবনা থাকলে একটি নেগেটিভ ফলকে সবসময় চূড়ান্ত ধরে নেওয়া ঠিক নয়।
Line-based pregnancy test-এ সাধারণত control line এবং test line—দুটি লাইন দেখা গেলে সেটি positive ফলাফল নির্দেশ করে। তবে ফলাফল দেখানোর ধরন কিটভেদে আলাদা হতে পারে। MedlinePlus অনুযায়ী, কিছু test-এ double line বা অন্য কোনো symbol দেখা যেতে পারে।
অর্থাৎ প্রস্রাবে hCG শনাক্ত হয়েছে এবং সাধারণত এর অর্থ গর্ভধারণ হয়েছে। NHS বলছে, নির্দেশনা ঠিকভাবে অনুসরণ করা হলে positive home pregnancy test সাধারণত নির্ভরযোগ্য।
তবে ফলাফল কীভাবে পড়তে হবে তা কিটের ব্র্যান্ডের নির্দেশনার ওপর নির্ভর করে। তাই শুধু ইন্টারনেটে দেখা কোনো ছবির সঙ্গে মিলিয়ে সিদ্ধান্ত না নিয়ে নিজের কিটের leaflet অনুসরণ করুন।
অনেকের প্রশ্ন থাকে—দ্বিতীয় দাগ খুব হালকা হলে কি pregnancy positive?
এটি কিটের ধরন এবং নির্দেশনার ওপর নির্ভর করে। নির্ধারিত reading time-এর মধ্যে test line দেখা গেলে অনেক line-based test-এ সেটি positive হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। তবে কিটের leaflet-এ দেওয়া নিয়ম অনুসরণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সন্দেহ থাকলে নতুন কিট দিয়ে কয়েক দিন পর আবার পরীক্ষা করা যেতে পারে অথবা চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে urine বা blood pregnancy test করা যেতে পারে। MedlinePlus অনুযায়ী, positive home test-এর পর healthcare provider প্রয়োজনে আরও একটি test করে ফলাফল নিশ্চিত করতে পারেন।
এটি খুব সাধারণ একটি পরিস্থিতি। নেগেটিভ ফল মানেই নিশ্চিতভাবে গর্ভধারণ হয়নি—বিশেষ করে পরীক্ষা যদি খুব তাড়াতাড়ি করা হয়।
hCG গর্ভাবস্থার শুরুতে দ্রুত বাড়তে থাকে। তাই প্রথম পরীক্ষায় হরমোন শনাক্ত না হলেও কয়েক দিন পরে তা শনাক্ত হতে পারে। MedlinePlus নেগেটিভ ফলের পরও গর্ভধারণের সন্দেহ থাকলে প্রায় এক সপ্তাহ পরে আবার পরীক্ষা করার কথা বলে। NHS নেগেটিভ ফলের পরও গর্ভধারণের সন্দেহ থাকলে কয়েক দিন অপেক্ষা করে আবার test করার পরামর্শ দেয়।
FDA বলছে, মাসিক মিস হওয়ার প্রথম দিনেও কিছু গর্ভধারণ শনাক্ত নাও হতে পারে।
হ্যাঁ। এটিকে false-negative বলা হয়। অর্থাৎ গর্ভধারণ হয়েছে, কিন্তু পরীক্ষায় negative ফল এসেছে।
সবচেয়ে সাধারণ কারণ হলো খুব তাড়াতাড়ি পরীক্ষা করা। তখন শরীরে hCG থাকলেও প্রস্রাবে তার মাত্রা টেস্ট কিটের detection threshold-এর নিচে থাকতে পারে। FDA অনুযায়ী, খুব তাড়াতাড়ি পরীক্ষা করলে placenta পর্যাপ্ত hCG তৈরি করার আগেই test করা হয়ে যেতে পারে।
আরও একটি কারণ হলো অতিরিক্ত পানি পান করা। এতে প্রস্রাব পাতলা হয়ে যেতে পারে এবং hCG শনাক্ত করা কঠিন হতে পারে। MedlinePlus অতিরিক্ত তরল পান না করার পরামর্শ দেয়।
False-positive তুলনামূলকভাবে কম হলেও হতে পারে। MedlinePlus বলছে, কিছু ক্ষেত্রে fertility medicine বা hCG-সম্পর্কিত নির্দিষ্ট পরিস্থিতির কারণে false-positive ফল হতে পারে।
তাই positive ফলাফল পেলে গর্ভধারণের চিকিৎসা ও পরবর্তী যত্নের জন্য স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীর সঙ্গে যোগাযোগ করা ভালো। NHS অনুযায়ী, সঠিকভাবে করা positive home pregnancy test প্রায় সবসময়ই সঠিক।
সাধারণ জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল সাধারণত pregnancy test-এর ফলাফল নষ্ট করে না। NHS বলছে, contraceptive pill-এ থাকা হরমোন pregnancy test-কে বাধা দেয় না।
তবে কিছু fertility medicine hCG-সম্পর্কিত হওয়ায় পরীক্ষায় প্রভাব ফেলতে পারে এবং false-positive ফল হতে পারে। MedlinePlus fertility drugs ব্যবহারের ক্ষেত্রে positive result হলে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেয়।
তাই আপনি fertility treatment বা hCG-সম্পর্কিত কোনো ওষুধ ব্যবহার করলে পরীক্ষার ফল চিকিৎসকের সঙ্গে আলোচনা করুন।
অনিয়মিত মাসিক হলে “মাসিক মিস হয়েছে” নির্ধারণ করা কঠিন হতে পারে। এ ক্ষেত্রে NHS অনুযায়ী, পরবর্তী মাসিকের তারিখ জানা না থাকলে শেষ অসুরক্ষিত যৌনসম্পর্কের অন্তত ২১ দিন পরে pregnancy test করা যেতে পারে।
যদি প্রথম পরীক্ষা negative হয় কিন্তু মাসিক না আসে বা গর্ভধারণের উপসর্গ থাকে, কয়েক দিন থেকে এক সপ্তাহ পরে পুনরায় পরীক্ষা করা যেতে পারে।
কিছু highly sensitive pregnancy test মাসিক মিস হওয়ার আগেও pregnancy শনাক্ত করতে পারে। তবে যত আগে পরীক্ষা করা হবে, false-negative-এর সম্ভাবনা তত বেশি হতে পারে। FDA বলছে, কিছু test মাসিক মিস হওয়ার আগেও pregnancy শনাক্ত করতে পারে, তবে early testing-এ negative ফলের সম্ভাবনা বেশি থাকে।
NHS বলছে, কিছু sensitive test মাসিক মিস হওয়ার আগেও ব্যবহার করা যায়, কিন্তু অধিকাংশ pregnancy test-এর জন্য মাসিক মিস হওয়ার প্রথম দিন থেকে পরীক্ষা করা বেশি নির্ভরযোগ্য।
তাই দ্রুত ফল জানার জন্য খুব আগে পরীক্ষা করার চেয়ে সঠিক সময়ে পরীক্ষা করা ভালো।
পরীক্ষার আগে অতিরিক্ত পানি পান না করাই ভালো। বেশি পানি পান করলে প্রস্রাব dilute হয়ে যেতে পারে এবং hCG-এর ঘনত্ব কমে যেতে পারে। MedlinePlus অনুযায়ী, অতিরিক্ত তরল পান করলে urine-এর hCG dilute হয়ে test-এ ধরা নাও পড়তে পারে।
তবে ইচ্ছাকৃতভাবে দীর্ঘ সময় পানি বন্ধ রাখারও প্রয়োজন নেই। স্বাভাবিকভাবে পানি পান করুন এবং সম্ভব হলে সকালের প্রথম প্রস্রাব ব্যবহার করুন।
যদি test-এর control line বা control symbol না আসে, তাহলে সাধারণত test invalid হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এর অর্থ গর্ভবতী বা গর্ভবতী নন—কোনোটিই বলা যায় না।
MedlinePlus বলছে, control symbol দেখায় যে test সঠিকভাবে কাজ করেছে। এটি না থাকলে নতুন test দিয়ে আবার পরীক্ষা করতে হবে।
Invalid ফলের কারণ হতে পারে:
ডিজিটাল pregnancy test-ও মূলত urine-এর hCG শনাক্ত করে। পার্থক্য হলো, ফলাফল line-এর পরিবর্তে digital screen-এ লেখা বা symbol হিসেবে দেখায়। MedlinePlus অনুযায়ী, কিছু pregnancy test colored line বা double line দেখায়, আবার কিছু test symbol ব্যবহার করে।
ডিজিটাল test ব্যবহার করলেও:
কিটের ধরন আলাদা হলেও মূল নীতি একই—urine-এ hCG শনাক্ত করা। FDA
Positive pregnancy test হলে প্রথম কাজ হলো ফলাফলকে গুরুত্ব দিয়ে পরবর্তী চিকিৎসা বা prenatal care শুরু করা।
চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করে গর্ভাবস্থা নিশ্চিত করা এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ নেওয়া ভালো। MedlinePlus positive home test-এর পর healthcare provider-এর সঙ্গে যোগাযোগের পরামর্শ দেয়।
এরপর চিকিৎসক আপনার শেষ মাসিকের তারিখ, স্বাস্থ্যগত ইতিহাস, ওষুধ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী অন্যান্য পরীক্ষা বিবেচনা করতে পারেন।
Pregnancy test positive হওয়ার পর তীব্র পেটব্যথা, একপাশে বেশি ব্যথা, মাথা ঘোরা, অজ্ঞান হওয়ার অনুভূতি বা অস্বাভাবিক রক্তপাত হলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া উচিত। MedlinePlus অনুযায়ী, ectopic pregnancy-এর ক্ষেত্রে অস্বাভাবিক vaginal bleeding, lower abdominal বা pelvic pain এবং একপাশে cramping-এর মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে।
Pregnancy test নিজে থেকে গর্ভাবস্থা জরায়ুর ভেতরে স্বাভাবিকভাবে রয়েছে কি না তা বলে না। প্রয়োজনে চিকিৎসক blood test, ultrasound এবং অন্যান্য মূল্যায়ন করতে পারেন।
হোম pregnancy test সঠিকভাবে ব্যবহার করলে বেশ নির্ভরযোগ্য। তবে নির্ভরযোগ্যতা অনেকাংশে নির্ভর করে কখন পরীক্ষা করছেন এবং কীভাবে পরীক্ষা করছেন তার ওপর।
MedlinePlus অনুযায়ী, urine pregnancy tests মাসিক মিস হওয়ার এক থেকে দুই সপ্তাহ পরে করলে ৯৭–৯৯% পর্যন্ত accurate হতে পারে। তবে brand, timing এবং ব্যবহারের পদ্ধতি অনুযায়ী ফলাফল পরিবর্তিত হতে পারে।
FDA বলছে, test-এর accuracy নির্ভর করে instructions সঠিকভাবে অনুসরণ করার ওপর এবং খুব তাড়াতাড়ি পরীক্ষা করলে false-negative হতে পারে।
তাই “কিট ৯৯% accurate” লেখা থাকলেও খুব তাড়াতাড়ি পরীক্ষা করলে একই accuracy আশা করা উচিত নয়।
ভুল ১: মাসিকের অনেক আগে পরীক্ষা করা
এতে false-negative আসতে পারে। FDA
ভুল ২: অনেক পানি পান করে test করা
এতে urine dilute হয়ে যেতে পারে। MedlinePlus
ভুল ৩: instructions না পড়ে test করা
প্রতিটি brand-এর sample collection এবং timing আলাদা হতে পারে। NHS
ভুল ৪: ফলাফল অনেক দেরিতে পড়া
নির্ধারিত reading window মেনে চলুন এবং test-এর সঙ্গে দেওয়া নির্দেশনা অনুসরণ করুন। MedlinePlus
ভুল ৫: expiry date না দেখা
মেয়াদোত্তীর্ণ কিটের ফলাফল নির্ভরযোগ্য নাও হতে পারে। MedlinePlus
ভুল ৬: negative ফল পেলেই নিশ্চিত হওয়া
মাসিক না এলে এবং গর্ভধারণের সম্ভাবনা থাকলে পুনরায় test করা প্রয়োজন হতে পারে। NHS
ভুল ৭: positive ফল পাওয়ার পর চিকিৎসকের পরামর্শ না নেওয়া
Positive test সাধারণত গর্ভধারণ নির্দেশ করে; পরবর্তী care শুরু করার জন্য স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীর সঙ্গে যোগাযোগ করা উচিত। MedlinePlus
গর্ভাবস্থার প্রথম দিকে কিছু নারীর:
ইত্যাদি হতে পারে। NHS-এর pregnancy symptoms তথ্য অনুযায়ী, missed period, breast tenderness, tiredness, frequent urination, nausea এবং বেশি vaginal discharge-এর মতো লক্ষণ গর্ভাবস্থায় দেখা দিতে পারে।
তবে এসব উপসর্গ থাকলেই গর্ভাবস্থা নিশ্চিত হয় না। Pregnancy test-ই গর্ভধারণ যাচাইয়ের উপযুক্ত উপায়।
হোম pregnancy test সাধারণত urine-এর hCG শনাক্ত করে। অন্যদিকে blood pregnancy test-এ রক্তের hCG পরীক্ষা করা হয়। MedlinePlus অনুযায়ী, urine এবং blood—উভয় test-ই hCG শনাক্ত করে।
রক্তের test খুব অল্প পরিমাণ hCG-ও শনাক্ত করতে পারে এবং চিকিৎসকের প্রয়োজন অনুযায়ী quantitative hCG test করা সম্ভব। তবে সাধারণভাবে গর্ভধারণের প্রাথমিক ধারণা পাওয়ার জন্য urine pregnancy test সহজ, দ্রুত এবং সহজলভ্য।
যদি home test-এর ফলাফল অস্পষ্ট হয়, বারবার negative আসে কিন্তু মাসিক না হয়, অথবা pregnancy-related symptoms ও ব্যথা বা রক্তপাত থাকে, চিকিৎসক আরও পরীক্ষা করতে পারেন।
টেস্টের ফলাফল | সাধারণ অর্থ | পরবর্তী করণীয় |
Positive | গর্ভধারণের সম্ভাবনা খুব বেশি | চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন |
Negative | hCG শনাক্ত হয়নি | খুব তাড়াতাড়ি test হলে পরে আবার করুন |
Invalid | test সঠিকভাবে কাজ করেনি | নতুন কিট দিয়ে পুনরায় পরীক্ষা করুন |
ফিকে test line | কিটের নিয়ম অনুযায়ী ব্যাখ্যা করতে হবে | প্রয়োজনে পুনরায় test বা চিকিৎসকের পরামর্শ |
Negative + মাসিক নেই | pregnancy এখনও বাদ যায় না | কয়েক দিন থেকে এক সপ্তাহ পরে পুনরায় test |
১. মাসিক মিস হওয়ার কতদিন পর pregnancy test করব?
অধিকাংশ test মাসিক মিস হওয়ার প্রথম দিন থেকে করা যায়। NHS
২. রাতে pregnancy test করা যাবে?
হ্যাঁ, অনেক test দিনের যেকোনো সময় করা যায়। NHS বলছে, urine sample অবশ্যই সকালে নিতে হবে এমন নয়। তবে খুব শুরুর দিকে পরীক্ষা করলে সকালের প্রথম প্রস্রাব বেশি উপযোগী হতে পারে। MedlinePlus
৩. সকালে প্রথম প্রস্রাব কেন ব্যবহার করা হয়?
সকালের প্রস্রাব তুলনামূলকভাবে ঘন হওয়ায় এতে hCG-এর ঘনত্ব বেশি থাকতে পারে। MedlinePlus
৪. মাসিকের আগে test করলে কি positive আসতে পারে?
কিছু sensitive test মাসিক মিস হওয়ার আগেও pregnancy শনাক্ত করতে পারে। তবে খুব তাড়াতাড়ি করলে false-negative হওয়ার ঝুঁকি বেশি। FDA
৫. এক দাগ মানে কি pregnancy নেই?
সাধারণ line test-এ শুধু control line দেখা গেলে সাধারণত negative বোঝায়। তবে খুব তাড়াতাড়ি test করলে false-negative হতে পারে। FDA
৬. দুই দাগ মানে কি pregnant?
সাধারণত control ও test line দুটো দেখা গেলে positive বোঝায়। তবে আপনার নির্দিষ্ট test-এর নির্দেশনা অনুসরণ করুন। MedlinePlus
৭. Negative কিন্তু মাসিক হচ্ছে না—কী করব?
কয়েক দিন থেকে এক সপ্তাহ পরে আবার test করতে পারেন। দুইবার negative হলেও pregnancy-এর সন্দেহ থাকলে চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। MedlinePlus
৮. Pregnancy test কি ভুল হতে পারে?
হ্যাঁ। খুব তাড়াতাড়ি পরীক্ষা, অতিরিক্ত dilute urine, ভুল পদ্ধতি বা কিছু fertility medicine-এর কারণে ফলাফল ভুল হতে পারে। FDA এবং MedlinePlus
প্রেগন্যান্সি টেস্ট কিট ব্যবহারের নিয়ম জানা থাকলে ঘরে বসেই সহজে গর্ভধারণের প্রাথমিক ধারণা পাওয়া যায়। টেস্টটি মূলত প্রস্রাবে hCG হরমোন শনাক্ত করে। সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ফল পেতে সাধারণত মাসিক মিস হওয়ার প্রথম দিন থেকে পরীক্ষা করা ভালো। মাসিকের তারিখ জানা না থাকলে শেষ অসুরক্ষিত যৌনসম্পর্কের অন্তত ২১ দিন পরে পরীক্ষা করা যেতে পারে। NHS
পরীক্ষার আগে expiry date দেখুন, কিটের নির্দেশনা ভালোভাবে পড়ুন এবং খুব শুরুর দিকে পরীক্ষা করলে সম্ভব হলে সকালের প্রথম প্রস্রাব ব্যবহার করুন। পরীক্ষার আগে অতিরিক্ত পানি পান করবেন না এবং ফলাফল নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পড়ুন। MedlinePlus
Positive ফলাফল সাধারণত গর্ভধারণের নির্দেশ দেয়, আর negative ফলাফল খুব তাড়াতাড়ি করা হলে ভুল হতে পারে। তাই negative ফল পাওয়ার পরও মাসিক না এলে কয়েক দিন থেকে এক সপ্তাহ পরে পুনরায় পরীক্ষা করা যেতে পারে। বারবার negative ফল এলেও গর্ভধারণের সন্দেহ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। NHS
17 Aug
17 Aug
17 Aug
17 Aug
Get all the latest updates easily